Assertion For Justice, Equality And Freedom.

Wednesday, October 1, 2014

নারীর বিরুদ্ধে জিঘাংসা, ঠেকাতে প্রয়োজন সচেতন শিক্ষা ব্যাবস্থা

প্রতিদিন প্রতিটি সংবাদ মাধ্যমের কোন না কোন অংশ জুড়ে নারী নির্যাতনের যে ঘটনা গুলি দেখা যায়, তা থেকে এটুকু প্রতীয়মান হয়; ঘটনাগুলি ঘটতেই থাকবে,  আর দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের আনাচে কানাচে কিশোরী থেকে শুরু করে প্রত্যেক বয়সের নারীরা কোন না কোনভাবে নির্যাতনের শিকার হতেই থাকবে। আর দেশের সচেতন নাগরিকেরা নানাভাবে তাদের প্রতিবাদ ব্যক্ত করতে থাকবেন। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান গুলি নারী নির্যাতন বিষয়ে বিভিন্ন রকমের গুরুত্তপুর্ন কার্যাবলী সম্পাদন করছেন, যেগুলি প্রশংসার দাবীদার।

 বাস্তব চিত্র কি বলে? নারী নির্যাতন কি প্রকৃত অর্থে কমছে? মোটেই তা নয়। মোবাইল, ইন্টারনেটের এই ভয়াল যুগে যেখানে খুব সহজেই প্রাপ্ত যৌনতার নোংরা ছবি দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তরুন সমাজকে নানাভাবে আকর্ষিত করছে ও তাদের মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটাচ্ছে, সেখানে আবেগ-বিবেক, প্রকৃত ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং জবাবদিহিতা ইত্যাদি বিষয়গুলিত দিন দিন যেন বিলুপ্তির পথেই পা বাড়াচ্ছে। তাই শয়তানি শক্তির প্রভাবে নারী নির্যাতন আগের চাইতে আরও ভয়ঙ্কর রুপ ধারণ করছে। নারীরা কোথাও নিরাপদ নয়। তরুন সমাজের কাছে নারী মানেই যৌণ চাহিদা মেটানোর ভোগ্যপন্য, আইটেম, শরীরের গঠন ও আকৃতি, অপবাদিণী, কলংকিনী এবং আরো ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই আজকালকের যুগের কিশোর-তরুনেরা স্থান-কাল-বয়স চোখে দেখেনা আর বিবেচনাও করেনা। পুরুষের বয়স পঞ্চাশ হলেই কি আর নারীর বয়স বারো হলেও সমস্যা নেই। অথচ বারো বছরের একটা কিশোরী মেয়ে জীবন সম্পর্কে কি ই বা শিক্ষা লাভ করেছে?

এভাবে আর চলতে দেয়া যায়না। ধর্ষনের মতো জঘন্য পাপাচারগুলি সংঘটিত হবার পর সংবাদ মাধ্যম ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলি ধর্ষিতার বিচার ও ক্ষতিপুরনের জন্য নানা রকমের প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। কিন্তু ঘটনা ঘটার পুর্বেই তার প্রতিকার মুলক ব্যবস্থা নেয়া উত্তম, যাতে করে এই সমস্ত ঘটনা ঘটার সুযোগই না হয়। এইজন্য যেই পদক্ষেপগুলি বেশি করে নেয়া প্রয়োজন, সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্তপুর্ন পদক্ষেপ হলো, তরুন সমাজের ভিতরে সমাজিক ভাবে সচেতনতা তৈরীর জন্য যত রকমের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সব রকমের কার্যক্রম গ্রহন করা।

গ্রামে-গঞ্জে বসবাস করা দরিদ্র ঘরের অশিক্ষিত অথবা অর্ধশিক্ষিত একটি ছেলে যেমনি করে জীবনের প্রকৃত শিক্ষা থেকে দূরে বাস করে, তেমনি করে শহরে থাকা তথাকথিত আধুনিক বাবা-মায়েরা তাদের আদরের ছেলেকে জীবনের সমস্ত চাহিদাগুলি মেটানোর সাথে সাথে সত্ত্যিকারের প্রকৃত শিক্ষা দিতে পারছেন কি না, আজকের এই অস্থির-যান্ত্রিক যুগে এই কথাটিও প্রশ্নবিদ্ধ। নারীরা এখন আর ঘরে বসে থাকতে পারেননা। জীবনের তাগিদে তাকেও পুরুষের মতো ঘরের বাইরে গিয়ে কাজ করতে হয়। কারন ঘুরে ফিরে সেইটাই, পুরুষের উপর তারা পুরোপুরি ভাবে ভরসা করতে পারছেননা। এই দিকে তাদের সন্তান একা একা ঘরে বসে কি করছে, তার খবর রাখার সময় কোথায় তাদের? এখন গোড়ায় হাত দিলেই তো সমস্যা। নারী-পুরুষেরা কেন একে অপরকে বিশ্বাস করতে পারছেননা!? মুল্যবোধ ও জবাবদিহীতার অভাব কেন এবং কোথায়? 

সবশেষে এটুকুই বলতে হয়, শিকড় থেকে সত্যিকারের আধুনিক ও সচেতন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা ছাড়া আর কোন বিকল্প পথ খোলা নেই। তাই দেশের প্রতিটি অঞ্চলের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির পাশাপাশি নতুন নতুন পর্যায়ের আধুনিক মানের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কিশোর-তরুন কমিউনিটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা একান্ত প্রয়োজন, যেখানে কিশোর ও তরুন সমােজের ছেলে-মেয়েরা প্রকৃত অর্থে মানুষের প্রতি মানুষের মূল্যবোধ তথা নারীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, জবাবদিহীতা এবং নিজের জীবনের সম্মান ও প্রয়োজন রক্ষা করে চলতে পারবে। কারন, অপরাধ যখন সংঘটিত হয়, তখন এক পক্ষ সাথে সাথেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় আর অপর পক্ষ হয় তার কিছু সময় পরে, যখন সে ধরা পরে যায়। পরবর্তী অপরাধ সংঘটির হবার আগেই দেশ ও মানুষের কল্যানে এখনই প্রয়োজন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করার।

নীচে আমাদের পুরনো আমলের ঘুনে ধরা সমাজ ব্যবস্থার ছোট একটি চিত্র তুলে ধরা হলো, যা দেখলে দুঃখই হয়ঃ 

ধর্ষণের শাস্তি দুই লাখ টাকা জরিমানা !
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সালিসের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ওই টাকা দেওয়ার জন্য ১৫ দিনের সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি জানলেও এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। গত রোববার ওই ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়। মেয়েটির পরিবার ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার সকালে ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল। পথে উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ধোপাদহ গ্রামের বাসিন্দা নাফিস খান (২২) মেয়েটিকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি স্থানীয় কয়েকজন দেখে নাফিসকে আটক করেন। পরে তাঁকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য দেলোয়ার হোসেনের জিম্মায় দেওয়া হয়।

দেলোয়ার হোসেন বলেন, নাফিস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। ওই রাতেই ধোপাদহ গ্রামে নাফিসের চাচা লুৎফর রহমানের বাড়িতে সালিস হয়। সেখানে নাফিসকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ওই সালিসে কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। মতিয়ার রহমান বলেন, জরিমানার টাকা ১৫ দিনের মধ্যে মেয়েপক্ষকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মেয়ের দিনমজুর বাবা বলেন, ‘টাকা এখনো পাইনি। আদৌ পাব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। সালিসকে সম্মান করে থানায় অভিযোগ করিনি।’ গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুভাষ বিশ্বাস বলেন, ‘ঘটনাটি জানি। তবে কেউ অভিযোগ দেয়নি বলে খোঁজখবর নিইনি। ধর্ষণের ঘটনায় মামলা ছাড়া বিচার করা যায় না।’

Maksuda
Date: 01-10-2014.


তথ্যসুত্রঃ প্রথম আলো, বাংলাদেশ

Tuesday, January 21, 2014

Necessity of "Women Equal Rights Bangladesh" (প্রয়োজনীয়তা)

প্রাচীনকালে বাংলাদেশের শহরে, গ্রামে-গঞ্জে সর্বত্র লোকজন নানাবিধ অর্থনৈতিক ও সামাজিক কারনে অশিক্ষিত, অভাবী, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অসচেতন ছিল। তাই তারা মেয়েদেরকে পন্য, আসবাব ইত্যাদি মনে করতো; বউ পেটাতো এবং বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ করতো। সর্বরকমে মেয়েরা নিগৃহীত ও বঞ্ছিত হতো; পুরুষদের বর্বরোচিত আচরনের শিকার হতো।  তবে তারা গায়ে কাপড় ঠিকমতো পরতো।

এখন মানুষ শিক্ষিত, অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী, জীবনযাপনের ক্ষেত্রে আধুনিক ও মানসিক দিক দিয়ে অনেক সচেতন হয়েছে।  কিন্তু এখন তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আগের চেয়ে তুলনামূলকভাবে আরও বেশি খারাপ হয়েছে। এখন শিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, অশিক্ষিত - সবাই বউ পেটা্য; হোক সেটা মানসিক, শারীরিক অথবা যৌন নির্যাতন। বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহের সংখ্যাও বেড়েছে; আরও ভয়ংকর বিষয় হলো ডিভোর্সের পরিমান বেড়েছে এবং সেই সাথে সমকামীর সমস্যাও দেখা দিয়েছে। এখন মেয়েরা ঘরে-বাইরে সর্বত্র নিগৃহীত ও বঞ্ছিত হচ্ছে। তবে আজকাল তারা কাপড় কম পরতে পছন্দ করে।
 

উপরের আলোচিত বিষয়বস্তুর আলোকে বলা যায়; তাহলে বর্তমান যুগে শিক্ষিত, আধুনিক, সচ্ছল ও সচেতন হয়ে কি লাভ হলো ?! উশৃঙ্খলা-বিশৃঙ্খলা তো গেলনা।

পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের এই সকল বিচ্যুতির পেছনে অনেকেই অনেক যুক্তি দেখাবে; কারন খুঁজে বের করবে। সেই সকল যুক্তি-কারন সবই কম-বেশি জানি। কিন্তু যেটা চিরকালের গ্রহনযোগ্য যুক্তি, তা হলো মানুষের প্রতি মানুষের মূল্যবোধের অবক্ষয়, সহনশীলতার অভাব এবং একে অন্যের কাছে জবাবদিহিতায় অনীহা। এই সমস্ত কারনে পারস্পরিক সদবিশ্বাসের অভাব; সর্বোপরি নীতি ও নৈতিকতার অভাব। এই নীতিবোধ, মূল্যবোধ, জবাবদিহিতা ও সদবিশ্বাসকে সত্যিকার অর্থে দেশে-বিদেশে সকল মানুষ নির্বিশেষে সকল ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও গোষ্ঠীর ভিতরে নতুন করে জাগ্রত করতে ও পূরনো ঘুনে ধরা সমাজ ব্যবস্থা এবং মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির আমুল পরিবর্তন আনতেই আমাদের প্রয়াস "Women Equal Rights Bangladesh".

-Maksuda.

Monday, January 13, 2014

“The Program of the Socialism of the 21st Century is necessarily a revolutionary one”

At the Preamble part of our Constitution of "The People's Republic of Bangladesh", it is said - 
"Pledging that the high ideals of nationalism, socialism, democracy and secularism, which inspired our heroic people to dedicate themselves to, and our brave martyrs to sacrifice their lives in, the national liberation struggle, shall be the fundamental principles of the Constitution".

That is why Socialism is a very significant part of our citizen, social and national life. According to Dieterich “the program of the Socialism of the 21st Century is necessarily a revolutionary one” in that the existing society is replaced by a "qualitatively different system". This revolution, however, should be a gradual process that does not employ violence but instead utilizes participative democracy to secure power, education, scientific knowledge about society and international cooperation. Dieterich suggests the construction of four basic institutions within the new reality of post-capitalist civilization:


  1. Equivalence economy, which should be based on "Mexican Labor Theory of Value" and which is democratically determined by those who directly create value, instead of market-economical principles;
  2. Majority democracy, which makes use of plebiscites to decide upon important questions that concern the whole society;
  3. Basic democracy, based on democratic state institutions as legitimate representatives of the common interests of the majority of citizens, with a suitable protection minority rights and
  4. The critical and responsible subject, the rationally, ethically and aesthetically self-determined citizen.

Other characteristic emphases include a redefinition of development that rejects the pursuit of profit as the primary aim of an economic system. Instead, development is a "human" development that aims to satisfy communal needs. Socialism of the 21st Century measures efficiency not only in terms of this human development, but also with respect to nature and natural resources.


After a series of Structural Adjustment Loans and debt restructuring led by the International Monetary Fund in the late twentieth century, Latin America experienced a significant increase in inequality. Between 1990 and 1999 Gini Coefficient rose in almost every Latin American country. Volatile prices and inflation led to dissatisfaction. In 2000 only 37% of Latin Americas were satisfied with their democracies (20 points less than Europeans and 10 points less than sub-Saharan Africans) In this context, a wave of left-leaning socio-political movements on behalf of indigenous rights Cocaleros,  labor rights, women rights, land rights and educational reform emerged to eventually provide momentum for the election of socialist leaders.

Socialism of the 21st Century draws on indigenous traditions of communal governance and previous Latin America socialist movements including that of Salvador Allende, Fidel Castro, Che Guevara, Zapatista Army of National Liberation and the Sandinista National Liberation Front.




Monday, October 28, 2013

Change the idea of Equal Rights, Step - 1

Treating a woman Equally in all circumstances:


Respect is a positive feeling of admiration or high esteem for a person or other entity (such as a nation or a religion), and also faithful deed and representative of a good opinion. Respect can be a specific feeling of regard for the actual qualities of the one respected (e.g., "I have great respect for her judgment"). It can also be demeanor in accordance with a specific ethic of respect. "Women Equal Rights Bd" acknowledges that each life is equally important if he/she is a man or woman, black or white, rich or poor, Hindu or Muslim, African or American, even able or disable; all and sundry deserves respect as human being. 


If a chap has more energy than a woman, he can't punch her or he can't rape her with his unsurpassed force. He should spend his vigor by supporting her in each stride and by providing reverence to her physical and psychological situation. Equal thing does not mean equal liveliness or equal thoughts. People should never try to use the energy of those who are weaker than them. Who the people do this thing, he is no doubt is the nastiest coward in this planet. Almighty has not created all of His creations equally. The question is Why?? Simulation is to mean when a person is fragile for any motive, people should not show their fingers to them; or they should not laugh at them; or they should not utilize their weakness for their little brainless benefit; rather they may show sympathy, do love and create best things for him/her to make him/her smile. Remember friends, just a smile means a lot.


Thanks,
Maksuda.
Date: 28-10-2013

Tuesday, September 10, 2013

তাদেরকে বলছি, যারা মেয়েদেরকে বিরক্ত করেন...

"একটি ছেলে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র, আর একটি মেয়ে এইচ, এস, সি তে পড়ে। মেয়েটিকে দেখে ছেলেটির ভাল লাগতেই পারে, কিন্তু এমনও হতে পারে, মেয়েটির কাছে ছেলেটিকে ভাল লাগেনি। অথচ সে ছেলেটিকে এটা জানানোর পরেও ছেলেটি দিনের পর দিন মেয়েটিকে বিরক্ত করেই যাচ্ছে। মেয়েটির মনটা কিন্তু একটা মানুষেরই মন, তার মনের ভিতরেও অনেক ধরনের অনুভূতি উঠা-নামা করতে পারে। সে বার বার মানা করতে পারে; তার "না" বলার অনেক রকমের অভিব্যক্তিই থাকতে পারে। কিন্তু ছেলেটি কোন ভাবেই কোন কিছু বোঝার চেষ্টা করেনা; যত রকমে পারা যায়, মেয়েটিকে উত্যক্ত করতে ছাড়েনা। একদিন মেয়েটি প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে ছেলেটিকে অনেক গালিগালাজ করে দিল। ছেলেটিও সুযোগ মতো মনের দুঃখে তার গায়ে এসিড মেরে দিল, অথবা মেয়েটিকে এমন ভাবে আঘাত করলো, যাতে করে সে মরেই গেল, অথবা ধর্ষন করল।"

উপরে শুধুমাত্র বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া হাজারো ঘটনার মধ্যে একটি ঘটনার উদাহরন দেয়া হলো। এখন যারা এসব বীরত্বের কাজ গুলি করছেন, এবং করে বেড়াচ্ছেন, এবং তার পরেও অত্যন্ত গর্বের সাথে আর একটা মেয়ের জীবন নষ্ট করার পেছনে ছুটছেন; আর যারা অত্যন্ত অহঙ্কারের সাথে এই সমস্ত কাজকে সাধুবাদ দিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলব, যে মেয়েটিকে আপনি আঘাত করলেন, অথবা যার জীবনটা বিনা অপরাধে নষ্ট করে দিলেন, অথবা যাকে আপনি হত্যা করলেনঃ 

* আপনার নিজের মা কি ওই মেয়েটিকে দশ মাস গর্ভে ধারন করেছিলেন? সেই মায়ের কষ্টের কথা একটু বসে চিন্তা করেন, যে মা দশ মাস তাকে গর্ভে ধারন করেছিলেন?!! এতই যখন বীর, সেই মায়ের সন্তান কে তার বুকে ফিরিয়ে দিতে পারবেন?!!

* আপনার বাবা কি সেই মেয়েটির সারা জীবনের ভরন-পোষনের দায়িত্ব পালন করেছিলেন? সেই মেয়ের অসহায় বাবাকে আপনি কি বলে স্বান্তনা দিবেন?!! ভবিষ্যতে আপনার নিজের মেয়েকে কেউ এসিড মারলে বা ধর্ষন করলে আপনার অনুভুতি কেমন হবে?!!
* আপনি নিজে কি সেই মেয়েটির লেখাপড়ার দায়িত্ব পালন করেছিলেন? তার স্বভাবিক ছাত্রী জীবনটা কি আবার ফিরিয়ে দিতে পারবেন?!!
 
*  মেয়েটি যদি ওই পরিবারের উপার্জনক্ষম একমাত্র মেয়ে হয়, তার পরিবারের ভরন-পোষনের দায়িত্ব কি আপনি নিজে বহন করবেন? না পারলে কি করবেন?!!

* আপনাদের উত্যক্ত করার কারনে একটি মেধাবী মেয়েকে তার ইচ্ছার বাইরে যখন তার অপছন্দের কোন পাত্রকে বাধ্য হয়ে বিয়ে করতে হয়, তখন তার সারা জীবনের কষ্টের বোঝা কি আপনি বয়ে বেড়াবেন? এই মেধাবী মেয়েটিকে হারিয়ে জাতির মেধাশক্তির যে ক্ষতি হালো, তা কি আপনি পূরন করবেন?!!

* আপনি একটি মেয়েকে এসিড মারলেন। মেয়েটির অপরাধ, সে আপনাকে ভালবাসেনি। এসিডদগ্ধ মেয়েটি যদি এখন আপনাকে ভালবাসতে চায়, আপনি কি বাসবেন? আপনার পরিবার কি মেয়েটিকে মেনে নেবে? যদি এখন আপনি ভালোবাসতে না পারেন, তাহলে এটা আপনার কেমন ভালোবাসা ছিল ?!! মেয়েটি অতীতে আপনার মতো মানুষকে ভালো না বাসার সিদ্ধান্ত নিয়ে কি ভূল করেছিল?!!

* আপনি যে সময়গুলিতে মেয়েটিকে বিরক্ত করছিলেন, তখন হয়তো সে তার পারিবারিক নানা সমস্যায় জর্জরিত, যেগুলি তাকে জীবনের প্রতিনিয়তই পার হতে হয়েছে, যা আপনি জানেননা। তার হাজারটা কষ্টের ভিতরে নতুন করে আরও কিছু কষ্ট যোগ করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত?!! 

* তার মনে হয়তো বা ছোট ছোট স্বপ্ন ছিল, যেগুলি হয়তো আপনার মতো মানুষদের পক্ষে বোঝা দুষ্কর!! সেই স্বপ্ন গুলির কি করবেন, যেগুলি পূরন করা আপনার সাধ্যের বাইরে?!!

* তার মনের ভিতরে অঙ্কিত যে মানুষটির প্রতিচ্ছবি, আপনার অবয়ব হয়তো তার মতো নয়। এখন তাকে জোর-জবরদস্তি করা কি তার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার সমতুল্য নয়?!! কে দিল আপনাকে তার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার অধিকার?!!

পরবর্তীতে কোন নিরপরাধ ও নিরীহ মেয়েকে উত্যক্ত করার আগে উপরের প্রত্যেকটা কথা শুধু একটু খানি মনে করবেন। আর উপরোল্লিখিত সবগুলি প্রশ্নের অন্তত একটার উত্তর ও যদি আপনার কাছে না থাকে, তাহলে একটা মেয়ের জীবন নষ্ট করার অধিকার আপনার অবশ্যই নেই।শাস্তি পাওয়ার মতো মানসিকতা বানিয়ে নিন। 


-Maksuda


Wednesday, February 20, 2013

International Mother Language Day



"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি,
আমি কি ভুলিতে পারি।
ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু ঝরা এ ফেব্রুয়ারি,
আমি কি ভুলিতে পারি।"



   - Hello everybody, International Mother Language Day is an observance held annually on 21 February worldwide to promote awareness of linguistic and cultural diversity and multilingualism. In the day of 21st February of 1952, when a group of students sought to storm in the area of Dhaka University defending the Bangla language for ourselves and for future generation, police opened fire and killed a number of students, including Abdus Salam, Rafiq Uddin Ahmed, Abul Barkat and Abdul Jabbar.


We remember our martyrs from the very deep of our heart. We are proud that we had our golden boys who sacrificed their life for our mother language and that's why people around the world could know about the nation and they respectfully remember our boys, our language, our people and our nation in this day of 21st February. 



- Maksuda

 
Our Another Site : Right Way BD | Right Way BD FB Group | Right Way BD FB Page |